নতুন প্রশ্নোত্তর
কারো কাপড়ে নাপাকি লাগলে সে কী করবে?
১. মুসলিম ব্যক্তির জন্য নাপাকি (নাজাসাত) থেকে বেঁচে থাকা এবং নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী তা থেকে সতর্কতা অবলম্বন করার চেষ্টা করা আবশ্যক। ২. কারো কাপড়ে নাপাকি লাগলে তার উপর গোসল করা ওয়াজিব হয় না। ৩. নাপাকি দূর করার পদ্ধতি হলো তা ধৌত করা, যতক্ষণ না নাপাকির চিহ্ন দূর হয়ে যায়। ৪. নামায শুদ্ধ হওয়ার জন্য নাপাকি থেকে পবিত্রতা অর্জন করা শর্ত। যদি কেউ তা থেকে পবিত্র না হয়, তবে তার নামায বাতিল বলে গণ্য হবে। ৫. যদি কারো কাপড়ে প্রস্রাবের কিছু ফোঁটা লাগে, তবে সে তার কাপড়ের যে অংশে লেগেছে তা ধৌত করবে, যতক্ষণ না তার প্রবল ধারণা হয় যে নাপাকি দূর হয়ে গেছে। আর সে যে অংশ ধৌত করেনি, সেটি অল্প পরিমাণ নাপাকির অন্তর্ভুক্ত হবে, যা সাধারণত ক্ষমার যোগ্য। ৬. কেউ যদি সন্দেহ করে যে, সে নাপাকি দূর করেছে, নাকি করেনি; তবে সে নিশ্চিত বিষয়ের উপর ভিত্তি করবে। আর তা হলো সে নাপাকি দূর করেনি (অর্থাৎ আগের অবস্থা বহাল আছে)। অনুরূপভাবে বিপরীত ক্ষেত্রেও যদি কেউ নিশ্চিত থাকে যে তার কাপড় পবিত্র, তারপর সন্দেহ করে যে তাতে নাপাকি লেগেছে, নাকি লাগেনি; সেক্ষেত্রে মূল অবস্থা হলো পবিত্র হওয়া। কারণ সেটাই নিশ্চিত। ৭. যদি কোনো ব্যক্তি নামায শেষ করার আগে জানতে না পারে যে তার কাপড়ে নাপাকি ছিল, তবে তার নামায শুদ্ধ হয়েছে বলে গণ্য হবে। ৮. কারো কাপড়ে নাপাকি থাকলে তার জন্য শুধু নামায আদায় করা জায়েয নেই। তবে কুরআন তিলাওয়াত করা বা কুরআন স্পর্শ করা ইত্যাদি অন্যান্য কাজ করা নিষিদ্ধ নয়।সংরক্ষণ করুনমেয়ে শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়ানো
সংরক্ষণ করুনগভীর ঘুম ছিল কি না— এমন সন্দেহে কি ওযু ভেঙে যাবে?
সংরক্ষণ করুনব্যাংকের মাধ্যমে কিস্তিতে বাড়ি ক্রয় করা
সংরক্ষণ করুনইমাম ও মুক্তাদী এ দু'জন হলেই জামাতে নামায অনুষ্ঠিত হতে পারে
সংরক্ষণ করুনজনৈক খ্রিষ্টানের সাথে ঐকান্তিক সংলাপ
ইসলামী আকীদা সম্পর্কিত কিছু বিষয়: ১. জান্নাতের নিয়ামত শুধু শারীরিক বা ইন্দ্রিয়গত নয়; বরং আত্মিকও। সেটা হলো অন্তরের প্রশান্তির মাধ্যমে, আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্টি ও আল্লাহর নৈকট্যে মাধ্যমে। বরং জান্নাতের সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত হলো মহান আল্লাহকে স্বচক্ষে দেখা। ২. ইসলাম এমন একটি ধর্ম যা শুধু বর্জনের (কিছু না করার) নির্দেশ দেয় না; বরং কাজ করারও নির্দেশ দেয়। তাই মুক্তিলাভ শুধু নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত থাকলেই অর্জিত হবে না; বরং ফরয কাজগুলো পালন করতে হবে এবং হারাম থেকে বিরত থাকতে হবে। সুতরাং ইসলাম হচ্ছে নির্দেশিত কার্যাবলী পালন করা এবং নিষিদ্ধ কার্যাবলী বর্জন করা। ৩. ইসলাম নিশ্চয়তা দেয় যে, প্রত্যেক নিষ্ঠাবান মুসলিম যে মৃত্যু অবধি আল্লাহর আনুগত্যের উপর অবিচল থাকবে সে অবশ্যই নিশ্চিতভাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। ৪. মানুষের পাপ সম্পর্কে ইসলামী বিশ্বাস হলো: একজন ব্যক্তি নিজের কৃতকর্মের দায় নিজে বহন করবে; অন্য কেউ এর দায় বহন করবে না। অনুরূপভাবে সে নিজে অন্যের কৃতকর্মের দায় বহন করবে না। ৫. ইসলামে প্রবেশের চাবিকাঠি মাত্র দুটি বাক্য: “আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া সত্য কোনো উপাস্য নেই” এবং “মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল।” এই ঘোষণার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মুসলিম হতে পারে। এর জন্য বাপ্তিস্ম, যাজক বা কোনো নির্দিষ্ট স্থানে (মসজিদ বা অন্য কোথাও) যাওয়ার প্রয়োজন নেই।সংরক্ষণ করুনযে নারীর অপারেশন হওয়ার কারণে হায়েয থেকে পবিত্রতার গোসল করতে পারছেন না; তিনি কি তায়াম্মুম করবেন?
সংরক্ষণ করুনদুই ঈদের নামাযের হুকুম
সংরক্ষণ করুনহজ্জ ও উমরার কার্যাবলি ও সেগুলোর ধারাবাহিকতায় নিহিত প্রজ্ঞা
সংরক্ষণ করুনস্থাবর সম্পত্তির যাকাতের অবস্থা ও বিধি-বিধানের সারসংক্ষেপ
সংরক্ষণ করুন
মুহররম মাস
প্রশ্নোত্তর